আমরা অভয়া
সন্তোষ ভট্টাচার্য
আমি কামদুনি হাঁসখালির কন্যা
আমি কলকাতার তিলোত্তমা কাদম্বিনী
আমি অভয়া আমি নির্ভয়া নারী
এক সুতোয় বাঁধা আমরা সকলেই।
আমরা মঞ্চে সাজানো দশভূজা নই
আমরা কেউ শিক্ষক কেউ বিজ্ঞানী
কেউ বা ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম;
ঘৃণিত কৃমি কীটের দংশনে
ছারখার এই সময় ও সমাজে
বিপন্নতা গিলে খায় আমাদের ।
চারপাশে এতো উজ্জ্বল আলো
এতো কন্যাশ্রী উৎসব এতো সম্বর্ধনা
বিবর্ণ ম্লান আজ সবকিছু।
অন্ধকার রাজ্য জুড়ে কন্যার আর্তনাদ
চাপা পড়ে ধর্ষকের উল্লাসে
নগ্ন নিথর দেহে কালশিটে দাগ
চোখের কোণে কাঁচা রক্ত
ওষ্ঠ থেকে গড়িয়ে পড়া রক্তরস
তবুও এটা আত্মহত্যা !
যে কথা বলতে সময় লাগে না
লাগে না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি
লাগে শুধু একটা সরিসৃপের মতো মেরুদন্ড
আর মাথার উপর বরাভয় কৃপা মুদ্রা।
অভয়ারা জানে শুধু লাঠির আঘাতে
জব্দ হয় না সরিসৃপ
সরিসৃপকে পুড়িয়ে মারাই প্রাচীন রীতি।
লাখো লাখো প্রতিবাদীর মিলিত হাতে
এবার প্রস্তুতি হোক সর্পমেধ যজ্ঞের।

খুব ইচ্ছে করে আগের মতো হতে। বয়েস হোল, একবার, আর একবার।
উত্তরমুছুনমতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনিও কলম ধরুন 🙏।
মুছুনআমাদের মেরুদন্ডের কোনো খোঁজ নেই,তাই এ ভাবেই -----
উত্তরমুছুনভাল।
মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনিও কলম ধরুন।🙏
মুছুনখুব ভালো লাগল কবিতাটি।ধন্যবাদ জানাই।
উত্তরমুছুনতবে আরো একটু বিবেকের ভূমিকা নেওয়া
প্রয়োজন ছিল।যে রাষ্ট্রে বসবাস করছি,তাদের
ধ্যানধারনার বিরূদ্ধে প্রতিবাদ ছিল জরুরী।না
রীরা পন্য নয়,নারীরা যে জীবজগতের প্রান
সেটার কথা বলা আরো প্রয়োজন ছিল।
মতামতের জন্য ধন্যবাদ 🌹। আপনার প্রতিবাদী কলমেও আগুন ঝরুক।
উত্তরমুছুনDhanyavaad
উত্তরমুছুন