ধারাবাহিক প্রবন্ধ

 আইসিএসদের গল্প

আইসিএস কথাটার মধ্যে লুকিয়ে আছে আপাত অজানা অনেক গল্প আর ইতিহাস। বাঙালি আইএএস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা বলে হইচই হচ্ছে। কিন্তু ১৯০০ থেকে ১৯৪৭— এই সময়কালে ৪২ জন আইসিএস হয়েছিলেন। শিক্ষিত বাঙালি সমাজ এই পেশাকে সমাজে প্রতিষ্ঠার একটা অনন্য মাপকাঠি হিসেবেই দেখতেন। তারও আগে প্রথম আইসিএস হয়েছিলেন ঠাকুর পরিবারের সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৬১ থেকে ১৯০০— এই সময়কালে ভারতের ১১ আইসিএসের ৮ জনই ছিলেন বাঙালি।

আইসিএসের প্রথম ও শেষ ভারতীয় অফিসার, দু’জনেই ছিলেন বাঙালি। সুভাষচন্দ্র বসু চতুর্থ হয়েছিলেন কিন্তু কাজে যোগ দেননি। অরবিন্দ ঘোষ ইচ্ছে করে ঘোড়ায় চড়ায় পিছিয়ে পড়েন, যাতে তাঁকে এই পরীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ১৯৪৮ সালে দেশে ২৪২ জন আইসিএস অফিসারের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বাঙালি। এমনকী দেশভাগের বিপর্যয়ও বাঙালিকে এই পেশায় নিযুক্ত হওয়া থেকে বিরত করতে পারেনি। ১৯৪৮ সালে প্রথম আইএএস পরীক্ষায় সফল ৩০ জন অফিসারের মধ্যে ৭ জন ছিলেন বাঙালি, পরের দু’বছর— ৩২ জনের মধ্যে বাঙালির সংখ্যা যথাক্রমে ৬ ও ৫।  

আইসিএস পরীক্ষার উদ্ভব ও বিবর্তন, কারা ছিলেন আইসিএস— এসবের ওপর আলোকপাত করতে শহরনগর ব্লগে শুরু হচ্ছে এক ভিন্ন স্বাদের ধারাবাহিক “আইসিএসদের গল্প”। আগামী ১৪ জুন থেকে অভিজ্ঞ সাংবাদিক অশোক সেনগুপ্ত শুরু করছেন এই ধারাবাহিক। প্রতি রবি ও বুধবার শহরনগর ব্লগে আইসিএসদের গল্প”। আশা করি এই করোনা অতিমারির সময়ে গৃহবন্দী সকল শ্রেণির পাঠকদের অনেক না জানা ইতিহাসের এই গল্প পড়তে মন্দ লাগবে না। 

আগামী রবিবার ১৪ জুন থেকে চোখ রাখুন https://saharnagar.blogspot.com/  এর পাতায়।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন