নবপল্লীর মানুষেরা
(পৌরাণিক কাহিনীর আধারে রেখে কুষ্ঠ রোগীর জীবন যন্ত্রণার ছবি এঁকেছেন কালকুট তাঁর 'শাম্ব' উপন্যাসে। কৃষ্ণপুত্র শাম্বের অভিশপ্ত জীবন ও আরোগ্যলাভের এক রোমাঞ্চকর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে উপন্যাসে। এটি একটি পুরাণ কাহিনী হলেও, মানুষের একাকিত্ব জীবনের লড়াই যন্ত্রণাকে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক আলোকে এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন কালকুট। কুষ্ঠ রোগ থেকে মুক্তির পরেও সমাজে আজও যেন তাদের ঠাঁই নেই। আধুনিক সভ্য সমাজ এই বিষয়ে আজও যেন এক গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে আছে। প্রিয় সাহিত্যিক অতনু চট্টোপাধ্যায় তার মরমী হৃদয়ে শুনতে পেয়েছেন সেই অস্ফুট বেদনার কথা। এরকমই এক পটভূমিতে 'শহর নগর' ব্লগজিনে শুরু হয়েছে অতনু চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ধারাবাহিক উপন্যাস "নবপল্লীর মানুষেরা"। অনুগ্রহ করে প্রতি সোম ও শুক্রবার চোখ রাখুন শহর নগরের পাতায়। আজ একাদশ পর্ব - সম্পাদক)
অতনু চট্টোপাধ্যায়
(১১)
সময় এগিয়ে চললেও, মানুষের মনের কালিমা সেই আগের মতই থেকে গেছে। কুষ্ঠরোগকে ঘৃনা নয়, কুষ্ঠরোগীকে ঘৃনা করাই মানুষের অন্তরে থেকে গেছে। এর থেকে মুক্ত হবার কোন সদিচ্ছা দেখা যাচ্ছে না। তবে এই কয়েকটা বছরে, কিছু পরিবর্তন এসেছে, সেটা নগন্য হলেও কিন্তু আন্দোলনের ফল। তবে যেটা সব থেকে উল্লেখযোগ্য, সেটা হল প্রশাসনিকভাবে তাদের কিছু কিছু চাহিদাকে মান্যতা দেওয়া। গৌরীপুর হাসপাতালের পাশে যে অস্থায়ী আস্তানা একদা গড়ে উঠেছিল, সেখানে এখন সারি সারি বাড়ি মালার মত ছেয়ে আছে। একটা নামকরণ করেছে সকলে মিলে-। নাম দিয়েছে "কল্যানপুর"। এখানের সকলেই কিন্তু কুষ্ঠরোগমুক্ত মানুষ। কিন্তু সাধারন নাগরিক সেবা থেকে বেশ কয়েক কদম দূরে। এখানে থেকে যারা সুস্থ হয়ে সামাজিক জীবনে ফিরতে চেয়ে নিজের গ্রামে ফিরেছিল, তারা ওখানে থাকার সূযোগ পায়নি। শুধু তাই নয়, তাদের পরিবারও নিত্য অশান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। আর তাই তারা নিজেদের মানুষের সাথে থাকার জন্য এখানে ভিড় করেছে।
এখানে যারা এখন বসতি স্থাপন করেছে, তারা অনেকেই হাসপাতালে স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী কর্মী হিসাবে নিযুক্ত আছে। কিন্তু সেটারও তো একটা শেষ আছে। তাছাড়া অনেকেই যুক্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন ছোটখাটো ব্যবসাতে। সমস্ত ধরনের মানুষের সহাবস্থান এখানে। কোন বিভেদ নেই নিজেদের মধ্যে। এত অসম্মানের মধ্যে এটাই প্রাপ্তি। তবে দিন পেরিয়ে যাবার সাথে সাথে বাচ্চাদের শিক্ষা আর স্বাস্থো ব্যাপারে একটা উৎকন্ঠা দেখা দিল। বহু দরবার করে একটা প্রাইমারি স্কুলের অনুমোদন মিললেও শিক্ষক হিসাবে যোগ দিতে রাজী নয় কেউ। আর সেই সময়ে এই দায়িত্ব নিল সুখেন আর কয়েকজন শিক্ষিত ছেলে। পাশেই গড়ে উঠল স্বাস্থ্য কেন্দ্র। গ্রামের বাইরে হাসপাতালে এখানের মানুষের চিকিৎসা মিলতে শুরু হল।
ওদিকে একই উপায়ে স্নেহলতা কুষ্ঠ সেন্টার থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষজন তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে গড়ে তুলল একটা নতুন পল্লী। নাম দিল-নবজীবনপুর। এখানের মানূষেরাও বিভিন্ন পেশাতে নিজেদের নিয়োজিত করল। তবে এই নবজীবনপুরের অনেকেই ক্যাজুয়াল কিংবা স্থায়ী চাকরি পেল মিউনিসিপ্যালেটিতে। অবশ্য এর জন্য অনেক আন্দোলন করতে হয়েছে। যেহেতু আরোগ্য সার্টিফিকেট তারা পেয়েছিল, তাই তাদেরকে চাকরিতে বহাল করতে বাধ্য হয়। এছাড়াও এই সব পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা হয় গৌরীপুর কিংবা বদড়া মিশনেও চাকরি পেল। অনেকেই আবার পাশাপাশি জায়গা কিনে চাষাবাদ শুরু করল। তারা তাদের গ্রামে তো এইভাবেই জীবিকা নির্বাহ করেছে। সুখেন প্রাথমিক অবস্থায় এই গ্রামেও শিক্ষকতা করেছে। তবে খ্রিস্টান মিশন বেশ সাহায্য করেছিল তখন। তারা জমি কিনে দিয়ে কিংবা তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষন দিয়ে সাহায্য করেছে। তবে এর পেছনে একটা ধর্মীয় আবহ ছিল বৈকি। নবজীবনপুর গ্রামেও তৈরি হয়েছে একটা চার্চ।আগে আগে এখানে লোকজন গেলেও, এখন আর তালা খোলা হয়না। তবে স্নেহলতা কুষ্ঠ সেবাকেন্দ্রের ভেতরেও আছে একটা চার্চ। এখানে প্রতি সপ্তাহে উপাসনা চলে। সুখেন ভাবে, মানুষের বেঁচে থাকার সাথে সাথে ধর্মকে এমনভাবে সংপৃক্ত করার চেষ্টা চলছে, যেটা একেবারেই পছন্দ নয়।
সুখেন রাতে ছাড়া সব সময়েই এখন কাজে ব্যস্ত থাকে। বাড়ির লোকেরা তাকে পরিত্যাগ করলেও, সে পরিবারের সবার খবর না নিলেও, মা আর ছেলে মেয়েদের খবরাখবর নেয়, বিশেষ করে খুকীর খবর নেয়। ও এখন কি করছে, পড়াশোনা করছে কিনা-সেসব খবর নেয়। বহুদিন কেটে যাওয়ার পর রাখালদাও এখন বসে ওর কাছে, গল্প করে। কিন্তু দাদারা কেউ এখন আসে না। আগে দূর থেকেও কথা বলে যেত। কিন্তু খুকীর বিয়ে ভাঙার পর আর এমুখ পানে তাকায় না।
ও; একটা কথা বলা হয়নি। রাখালদা এখন মাঝেমধ্যে কামাই করে। তার শরীর ভালো যাচ্ছে না। এখন ঠিকমত কাজও করতে পারে না। তবে প্রথম থেকে আছে বলেই রাখালদা এখন বাড়িরই টুকটাক কাজ করে। এখন মুনিষ হিসাবে ওর ছেলে কানাই কাজে লেগেছে।রাখালদা না আসতে পারলে, এখন কানাইই আসে। ওর সাথে অবশ্য বেশি কথা বলা যায় না। আমার থেকে সে অনেক ছোট।কিছু বললে, উত্তর দেয় সে। তবে রাখালদা সুস্থ থাকলে রাখালদাই আসে।
এরকমই একদিন সন্ধ্যেবেলা রাখালদা এল। তার মুখ বেশ থমথমে। জিজ্ঞেস করলে বলল- "কর্তামার শরীর খুব খারাপ। আজ দিন তিনেক হল কিছুই খাচ্ছে না। আর থেকে থেকেই প্রশ্ন করছে, ছোট খোকা এলি?"
- "সে কি রে? তা মা এখন কোথায় থাকে রে?"
- "কর্তামা বাইরের দিকে ঘরটাতে থাকে। আর পাশে থাকে খুকী দিদিমনি।"
সুখেনের মনটা কেঁদে উঠল। নিজের মায়ের শেষ অবস্থাতেও একবার চোখের দেখা দেখতে পাচ্ছে না। চোখ বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। সুখেনের মনে হচ্ছিল এখনই সে দৌড়ে চলে যায় মায়ের কাছে। কিন্তু কোন উপায় নেই। আসলে সে তো কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত একজন ব্যক্তি। তার মধ্যে ব্যথা বেদনা, ভালোলাগা মন্দলাগা, আবেগ অনুভূতি থাকতে নেই। রাখাল দা চলে যেতেই মনে মনে ঠিক করে নেয় সে আজ যাবে গভীর রাতে মায়ের সাথে দেখা করতে। সুখেন কিছু খেল না রাতে। খাটিয়াতে চুপ করে শুয়ে থাকল। আর মনের পর্দাতে অতীতের মায়ের সাথে কাটানোর দিনগুলো এনে হাসি আর কান্নার আবহে বিভোর হয়ে থাকল। রাত গভীর হতে সূখেন টর্চটা হাতে ধরে চুপিসারে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল। নিজের মায়ের সাথে দেখা করতেও তাকে চোরের মত চুপিসারে যেতে হচ্ছে। সারারাস্তা ফাঁকা। মাঝে মধ্যে দু একটা কুকুর তাকে দেখে ডেকে উঠছে, তারপর আবার চুপ করে কুন্ডুলী পাকিয়ে শুয়ে পড়ছে। সুখেনের সাথে একটা ঘড়ি আছে। সময়টা দেখল, রাত্রি একটা বাজে। পৌঁছে দেখল মা যে ঘরটাতে আছে, ঐ ঘর থেকে আলো আসছে। মনে হয় খুকী জেগে আছে। সুখেন দরজাতে টোকা না দিয়ে,খুব ক্ষীন কন্ঠে খুকীর নাম ধরে ডাকতে লাগল। এই রাতে খুকীকে কেউ নাম ধরে ডাকবে, সেটা ধারনা করতে পারেনি।তারপর খুব ধীরে সুখেন বলে উঠল- "মা খুকী, আমি তোর ছোটকা। একবার খোল মা। মাকে একবার দেখেই চলে যাব। খুকী তার ছোটকার গলা বুঝতে পেরে খুব আস্তে করে দরজার একটা পাল্লা খুলে দিয়ে কাকাকে ভেতরে ঢোকায়। মায়ের দিকে তাকিয়ে সুখেন কেঁদে উঠল। বিছানাতে যেন একটা কঙ্কাল শুয়ে আছে।মাকে খুব আস্তে করে ডাকতেই মা চোখ মেলে তাকাল। তারপর অস্ফুটস্বরে বলে উঠল- "খোকা তুই এসেছিস?" তারপর শীর্ণ হাত দুটো কষ্ট করে তুলে সুখেনের গালে হাত বুলিয়ে একটা চুমু খেল।তারপর আবার চোখ বন্ধ করল। চোখ দিয়ে তার জল গড়িয়ে পড়ল। মুখঠা দেখে মনে হল একটা শান্তির প্রলেপ বয়ে গেছে।এরপর সুখেন খুকীর চাকরির ব্যাপারে কিছু কথা জিজ্ঞেস করে ধীর পায়ে নিজের আস্তানার দিকে চলে যায়। মনে একটিই শান্তি সুখেনের, মায়ের সাথে শেষ সময়েও দেখা হল।
সেদিন রাতে সুখেন ফিরে এসে আর চোখের পাতা এক করতে পারল না। কত স্মৃতি যে লুকিয়ে আছে তার ইয়ত্বা নেই। মাকে দেখে মনটা এতটাই খারাপ হয়ে গেল যে, ওখান থেকে আসতে ইচ্ছে করছিল না। কিন্তু উপায় নেই। তার জন্য বাড়ির লোকের দুর্দশার সীমা থাকবে না। একে তো একটা ঘটনা ঘটে গেছে। খূকীর বিয়ে ভাঙা। জানেনা সুখেন ঐ ঘটনায় খুকীর উপর কি পরিমান মানসিক নির্যাতন নেমে এসেছে। ও কিংবা সুখেন কেউই তো এর জন্য দায়ী নয়। কিন্তু এটাই তো কুষ্ঠরোগীর জীবনের বাস্তব চিত্র।
মুখ হাত ধুয়ে সুখেন চা তৈরী করে মুখে দেবে, আর সেই মূহুর্তে নদীতে কোন মৃতদেহ আনার জন্য হরিধ্বনি শোনা গেল। সুখেনের বুকের ভেতরটা ছ্যাঁৎ করে উঠল। এই শবদেহ মায়ের নয় তো?চায়ের কাপটা রেখে, বাইরে বেরিয়ে দেখে তার সন্দেহ মিটল। এটা যে তার মায়েরই শবদেহ। তাহলে কি সুখেনের জন্যই মায়ের প্রানবায়ু ছিল? সুখেনকে কেউ খবর দেয়নি। আসলে সুখেন তো ভিন জগতের প্রানী। তার মধ্যে নেই কোন অনুভূতি, ভালোবাসা, মায়া কিংবা শোক দুঃখ। আসলে সে তো কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত হয়েছিল। কাঁধে করে সুখেনের মাকে বয়ে নিয়ে আসছিল পাড়া প্রতিবেশীরা।ছিল বড়দা, মেজদা সহ নাতিরা। তাদের প্রত্যেকের চোখে জল।সুখেন সাহস করে এগিয়ে যায় মাকে শেষ দেখার জন্য। অন্য কেউ জানেও না যে, গতরাতে সুখেন মাকে দেখে এসেছে। সাক্ষী আছে একমাত্র খুকী। শ্মশানে পুরোহিত এসেছে। ওর কাছে গিয়ে সুখেন জিজ্ঞেস করল- "পুরোহিত মশাই, আমি কি মাকে প্রনাম করতে পারি?"
পুরোহিত কমবয়সী। একবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল- "হ্যাঁ, হ্যাঁ, মাকে প্রনাম কর। উনি তো মারা গেছেন। তুমি প্রনাম কর। মৃত্যুর পর তো আর কিছু থাকে না। তা ছাড়া তুমি ঠিক থাকলে তো এইসব কাজ তোমাকেও করতে হত। কিন্তু কি আর করা যাবে? ভগবান যে রোগ তোমাকে দিয়েছেন, সেখানে আমাদের করার কিছু নেই।"
সুখেন বাক্যব্যয় না করে, মাকে প্রনাম করল। মায়ের মুখটার দিকে তাকিয়ে দেখল। মনে হল সুখেনের মা যেন পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে আছে। চোখ দুটো সুখেনের ছলছল করে উঠল। প্রনাম করেই একটু দুরে বালির উপর বসে পড়ল। তারপর সবকিছু দেখতে লাগল সুখেন। হল প্রায়শ্চিত্ত, মায়ের শরীরে ঘি মাখানো হল। বড়দা একপাশে দাঁড়িয়ে আছে। চোখে চোখে কথা হল দুজনের, কিন্তু কথা হল না কিছুই। বড়দার মেয়ের বিয়ে ভাঙার দরুন তাকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে। সেই জায়গা থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারছে না তারা। বড়দা আচার অনুষ্ঠান মেনে মুখাগ্নি করল। তারপর আর ফিরে তাকালো না। স্নান করে ভিজে কাপড়েই বাড়ি চলে গেল। সুখেনের কাছাকাছি কয়েকজন বসে, দূর থেকে কিছু কথাবার্তা বলছিল। তারপর ওদের একজনই জিজ্ঞেস করল ঠাকুরমশাইকে- "আচ্ছা ছোড়দাকেও তো পালন করতে হবে?"
- "হ্যাঁ, অশৌচ পালন তো করতেই হবে।"
ঐসব কথাবার্তা সুখেনের কানে গেলেও, কোন কথাবার্তা বলল না।শুধুই তাকিয়ে থাকল চিতাগ্নির দিকে। ধোঁয়া পাক খেয়ে খেয়ে আকাশে উঠে যাচ্ছিল। ঐ ধোঁয়ার সাথে আগুনও উঠছিল কখনও নীল আবার কখনও বাদামী। ঐ রঙের মধ্যে মায়ের মুখটা দেখার ব্যর্থ প্রয়াস চালাচ্ছিল। ঘন্টা চারেক লাগল দাহকার্য সম্পন্ন হতে।মধ্যে দুবার দোক্তা মুখে দেওয়া ছাড়া কোন কথা বলেনি সুখেন। দাহ সম্পন্ন হলে জল দেবার পালা। সকলের জল দেবার পর সুখেনের ডাক পড়ল। সুখেন কোন বাক্যব্যয় না করে, চিতার আগুনে জল ঢালল। এরপর ছাই নিয়ে একটা মানকচুর পাতাতে নিয়ে হরিনাম সঙ্কীর্তন করতে করতে চলে গেল বাড়ির উদ্দেশ্যে।সুখেন তখনও বসে ছিল। বেশ কিছুক্ষন বসে থাকার পর স্নান সেরে ধীরে ধীরে তার আস্তানার দিকে চলল। বাড়িতে ঢুকে খাটিয়াতে শুয়ে একজন বাচ্চা ছেলের মত ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল সুখেন।
চলবে

অত্যন্ত সুন্দর হচ্ছে।
উত্তরমুছুনসাহিত্যের উপর কতটা শ্রম রয়েছে ,সেটা জানিয়েছে আপনার উপন্যাস।
উত্তরমুছুনশেষ পর্যন্ত না পড়ে কোনো মন্তব্য করা যাবে না। তবে এটা কোন সময়ের নবজীবনপুরের কথা বলা হচ্ছে, সেটা আমি ধরতে পারছিনা। বর্তমান তো নয়।
উত্তরমুছুন