ধারাবাহিক ফিচারঃ জীবনের সফরনামা (১) - অরুণ কুমার রায়

 জীবনের সফরনামা 

 অরুণ কুমার রায় 

পঁচাশি হাজার পাঠকের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় 'শহর নগর ডট কম' ব্লগজিন এখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এই ওয়েব পত্রিকার প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের সাথে জড়িয়ে আছেন প্রয়াগরাজ নিবাসী বিশিষ্ট প্রবাসী লেখক অরুণকুমার রায়। তাঁর বেশ কিছু মূল্যবান লেখায় এই পত্রিকা সমৃদ্ধ হয়েছে। আমরা আনন্দিত ও গর্বিত যে সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর বহুচর্চিত ও উচ্চ প্রশংসিত  গ্রন্থ 'মহাকুম্ভ ইতিহাস' এই বল্গজিনেই ২০২৫ এর মহাকুম্ভ চলাকালীন ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক অরুণ কুমার রায় পুনরায়  তাঁর নতুন ধারাবাহিক  ‘জীবনের সফরনামা’ নিয়ে কলম ধরেছেন । জীবনের চলার পথে বহু মানুষের সংস্পর্শে আসা লেখকের কলমে উঠে আসছে তাঁদের কথা।  এই ধারাবাহিক হতে চলেছে তাঁর জীবনের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও সত্য ঘটনার এক অনন্য কোলাজ।  জীবনের এই চলার পথে কত কথা, কত মানুষের আনাগোনা থাকবে। সুখ-দুঃখ এবং হাসি-কান্নায় ঘেরা মানুষের এই জীবন-সফর। আশা রাখি, লেখকের কলমের জাদুতে সেই নীরব সফর আরও সরব ও সরস হয়ে উঠবে। আপনারাও নিয়মিত চোখ রাখুন শহর নগরের পাতায়। সঙ্গে থাকুন এবং আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করুন। - সম্পাদক।)

"জীবন খাতার প্রতি পাতায়

যতই লেখ হিসাব নিকাশ কিছুই রবে না।

লুকোচুরির এই যে খেলায়

প্রাণের যত দেয়া নেয়া পূর্ণ হবে না।।"


 সফরনামা -১

মানুষের জীবন শুধু ক্ষণস্থায়ী নয়, তা পরম অনিশ্চয়তায় ভরা। যে কারণে আমাদের যে কোনো সফর, যে কোনো মিলন-সাক্ষাৎকার, ঝগড়া-বিবাদ, প্রেম-বিচ্ছেদ বা আনন্দ—সবই সেই মুহূর্তেই পূর্ণ বিরামচিহ্নে শেষ হয়ে যায় শুধু নয়, তার আর পূর্বাবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। তার কারণ, জীবনের এই সফরনামা যেকোনো স্টেশনে এসেই থেমে যেতে পারে।

***

এসবই যে আমরা জানি না তা নয়, কিন্তু ভুলে থাকি; মনে পড়ে শুধু কোনো বিশেষ ঘটনার মুহূর্তে। এই যেমন গতকাল আমার—কিংবা বলা ভালো আমাদের সবার জীবনের এই সফরনামায়—আমি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম, যা অত্যন্ত বিষাদপূর্ণ ও শোকাবহ বার্তা বহন করে এনেছে। 

এই সমস্ত বহমান ঘটনার মধ্য দিয়ে একজন লেখক এগিয়ে যাবেন ঠিকই, কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার এই মুহূর্তেই আবার ঘটনার বর্ণনায় তাকে পিছিয়ে যেতেও হবে - যদিও 'সফরনামা' সাধারণত এগিয়ে যাওয়ার পথকেই বলা হয়ে থাকে।

***

কোনো একজন বর্ষীয়ান মানুষকে অক্ষরের বিন্যাসে মহিমান্বিত করে তোলার খামোখা কোনো মানে হয় না ঠিকই, কিন্তু একজন কলম-লিখিয়ে হিসেবে কোনো ঘটনার ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর স্মৃতিময় কথাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবেই চলে আসতে বাধ্য। আবার এটাও ঠিক, যে আপনি আমি ও আমরা অতি সাধারণরাই তো কোনো এক মহান ঘটনার মহানায়ক ও চরিত্র হয়ে উঠি। সুতরাং, যে কোনো ঘটনার বিবরণগুলোর মধ্য থেকেই হয়তো আমরা সন্ধান পেতে পারি এবং জানতে পারি—অতি সাধারণ মানুষটির মধ্যেও ছিল এক অসাধারণ জিজীবিষা। ঠিক যেমন এই সফরনামার আগামী পর্বগুলোতে আমরা মুখোমুখি হতে চলেছি এমন কিছু পরিচিত, বিশিষ্ট ও অতি বিশিষ্ট কৃতি মানুষের, যাঁরা নিজেদের মেধা ও অনন্য জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে সাধারণের ক্যানভাসেই এঁকেছেন এক একটি অসাধারণ সফলতার চিত্র । 

হ্যাঁ পাঠক, গতকালের উল্লেখিত ঘটনার মূল চরিত্র গতকাল ঊষাকালে ধরাধাম থেকে বিদায় নিয়েছেন। আমি যখন তা জানতে পারছি, ঠিক সেই মুহূর্তটাই আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।  আজ সকাল থেকেই আমার গৃহে বেশ একটু বিষণ্ণতা ছেয়ে আছে। আসলে আমাদের একমাত্র, ছোট্ট একরত্তি আত্মজা তার কর্মস্থল দক্ষিণ ভারতে ফিরে যাবে। সে ও তার মা ওই মুহূর্তে ভিতরের ঘরে একে অপরকে জড়িয়ে...। মাঝে মাঝে তাদের যে কথাগুলো আমার কানে আসছে, তা প্রায় পৃথিবীর সমস্ত  মা ও তার সন্তানের মধ্যে ঠিক বাড়ি থেকে বেরুবার সময়ে হয়েই থাকে। এই হৃদয় -নিংড়ানো আত্মিক সম্পর্কের লৌকিক আচারকে আমরা আমাদের মতো করে গড়ে নিয়েছি মৃন্ময়ী উমার চিন্ময়ী রূপের মধ্যে। তাই এই পুজোয় বাঙালির ঘরে ঘরে সন্তান-সন্ততিদের বাবা-মা, ঠাকুমা-দাদুর কাছে আসা—কী আনন্দ, কী উল্লাস! আর আজ তাদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার ঠিক এই মুহূর্তে তার বিপরীত।

আমি সামনের ঘরে বসে সেই মুহূর্তে, গত কয়েকদিন ধরে শহরের এক সম্ভ্রান্ত ভদ্রমহিলার মহানবমীর দিনে নিজের প্রাসাদে পরলোকগমনের "শোক সংবাদ" লিখতে চাইছি। গত কয়েকদিন ধরে সেই লেখার সূত্র সন্ধানের তল্লাশে যখন মনের মধ্যে তোলপাড় চলছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই লেখাটির শিরোনাম খুঁজে পেলাম। নোটপ্যাডে সঙ্গে সঙ্গে তা লিখে ফেলতে না ফেলতেই মোবাইলের স্ক্রিনে ফুটে উঠল একটি পরিচিত মুঠোফোনের নম্বর। এই মুহূর্তে এই ফোন তো আসা উচিত নয়... তাহলে কী!

***

আশঙ্কাটাই অবশেষে সত্যি হলো। শ্রী বিজেন্দ্রনাথ দেহ রেখেছেন। বিপত্নীক বিজেন্দ্রনাথ বাবুর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৮৪ বছর। এই স্বাধীনচেতা অশীতিপর মানুষটি চলে যাওয়ার আগের দিন রাত্রেও নিজের সান্ধ্য ভ্রমণের বন্ধুদের নিয়ে ফ্ল্যাটে একটি বিজয়া সম্মেলন তথা মিলন সভার আয়োজন করেছিলেন। আসলে এই মিলন সভাটি গত মাসেই হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তাঁর আকস্মিক অসুস্থতার কারণে তা স্থগিত করতে হয়। বিজয়া দশমীর দিন চিরাচরিত প্রথা মাফিক তাঁকে বিজয়ার প্রণাম জানানো হয়েছিল। এমনকি নবমীর দিন তিনি দেশের বাড়ির প্রাচীন পুজোও দেখে এসেছেন; পরিবারের কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর সেই শেষ হাসিমুখের ছবি দেখা গেছে। বৃহত্তর পরিবারের তিনি ছিলেন এই মুহূর্তের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান অভিভাবক। শ্রী বিজেন্দ্রনাথ বাবুর একমাত্র পুত্র বিপুলচন্দ্র—৪৮ বছর বয়সী, মাঝারি উচ্চতার, ইন্ডিয়ান আর্মির প্রাক্তন কর্নেল। প্রায় চার বছর হতে চলল  ভারতীয় সেনার চাকরি ছেড়ে একটি বৃহৎ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে বহাল রয়েছেন তিনি। —হয়তো শ্রী বিজেন্দ্রনাথ বাবুর জীবন-সফরের কাহিনীটি এখানেই ইতি টানা যেত, কিন্তু তা করলে মনে হয় বড্ড বেশি সাবধানী হয়ে এক সফল সফরনামার সত্য কাহিনীর অপমৃত্যু ঘটানো হতো। মনে কি তবে কোনো ভয় বা সঙ্কোচ কাজ করছে যে, কোন সম্পর্কের টানাপোড়েন ঠিকভাবে পাঠকের দরবারে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যাবে কি না ?

বিজেন্দ্রনাথ বাবুর নিজস্ব জীবনকাহিনীর মধ্যেও কিন্তু শোক ও দুঃখের এক গভীর স্রোত ছিল, যা পেরিয়ে তাঁকে ধীর পায়ে সফলতার দিকে অগ্রসর হতে হয়েছে। দীর্ঘ এলাহাবাদের প্রবাস জীবন কাটিয়ে তাঁর বাংলার মাটিতে ফিরে আসা এই মাত্র ১১ বছর। তাঁর দীর্ঘ এলাহাবাদ জীবনের স্মৃতির মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই শোক ও সফলতার কাহিনী, যেখান থেকে কিছু অংশ এখানে তুলে আনা হচ্ছে।

কর্নেল বিপুলচন্দ্র ছিলেন শ্রী বিজেন্দ্রনাথ বাবুর তৃতীয় সন্তান। তাঁর প্রথম কন্যা সন্তানটি মাত্র ১১ বছর বয়সে এক গরমের ছুটিতে মামার বাড়ি ‘হরিণঘাটা’য় এসে আর কোনোদিন ফিরে যায়নি। কোনো এক অলস দুপুরে, সবার চোখের আড়ালে, মেয়েটি তার নতুন পাতানো গ্রাম্য সইয়ের সঙ্গে এক বিশাল দিঘিতে সাঁতার কাটতে গিয়েছিল। ওদের মনে সেই মুহূর্তে আরতি সাহা কিংবা বুলা চৌধুরী হয়ে ওঠার কোনো স্বপ্ন দানা বাঁধছিল কি না, কেউ আজও তা জানতে পারেনি। কিন্তু সেদিন সেই ছোট্ট মেয়েটি পুকুরের টলটলে জলের গভীরে হারিয়ে গেল, আর কোনোদিন উঠে এল না।

পরবর্তীতে বিজেন্দ্রনাথ বাবুর আরও একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান মাত্র তিন মাস আয়ু নিয়ে আসে। দুধে আলতা তার রঙ ছিল। এলাহাবাদে তিনি ও তাঁর পরিজনেরা মিলে একদিন তার ছোট্ট শরীরটাকে সাদা থানে বেঁধে নিয়ে গিয়েছিল যমুনার তীরে। কঠিন নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়েই তার এই অল্পায়ু পৃথিবীর জীবন -সফরনামায় চলে আসা ও ফিরে যাওয়া। বিজেন্দ্রনাথবাবুর জীবন সফরনামা আপাতদৃষ্টিতে খুবই সাদামাটা, তেমন কোনো বিশেষ চমক নেই এতে। কিন্তু একটু খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, বিদেশ-বিভুঁইয়ে তাঁর এবং তাঁর মতো শত শত বিজেন্দ্রনাথ বাবুর এই রোজকার লড়াইয়ের ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক অসাধারণ জীবনসংগ্রাম, সাহসিকতা আর হার না মানার জেদ। তবে এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথ চলায় বিজেন্দ্রনাথ বাবুর একার লড়াই যেমন সত্য, তেমনই সত্য তাঁর ঘরের রমণীদের নীরব আত্মত্যাগ ও অবদান। বাঙালি জীবনে মায়েদের স্থান ও অবদান তো সবকিছুর ঊর্ধ্বে। দুটি সন্তানের অকালমৃত্যুর বুকফাটা হাহাকার ও মহাশূন্যতাকে নিজের আঁচলে চেপে রেখে যিনি সংসারকে ধরে রেখেছিলেন, তিনি বিপুলচন্দ্রের মা। মায়ের সেই অসীম ধৈর্য আর বাবার হাড়ভাঙা পরিশ্রমের যুগলবন্দিতেই মাত্র ষোলো বছর বয়সে ছেলে বিপুলচন্দ্র ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি'র পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে সিলেক্ট হতে পেরেছিল এবং ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার সাহস পেয়েছিল। প্রবাসে চরম প্রতিকূলতার মাঝেও সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করার এই জেদ ও আত্মত্যাগ আসলে সমস্ত প্রবাসী বাঙালি দম্পতির বুকেই খোদাই করা থাকে।শুধু বিজেন্দ্রনাথ বাবু বা তাঁর উচ্চ মেধাবী ছেলে বিপুলচন্দ্রই নন, এমন অনেক প্রবাসী বাঙালির সন্তান আছেন যারা অ্যাটর্নি জেনারেল, অ্যাকাউন্টস জেনারেল, বিচারপতি, বিজ্ঞানী, অধ্যাপক, নামী চিকিৎসক কিংবা নামকরা স্থপতি আর আইনবিদ হয়েছেন। বড় বড় গ্রন্থ লিখেছেন, বিশাল সব সৌধ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পুস্তকালয়, খেলার মাঠ তৈরি করেছেন; মানুষের প্রাণ বাঁচাতে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করেছেন। আবার গান, বাজনা, নাটক, যাত্রা, নিজ ভাষা, সাহিত্যের সেবায় মেতে উঠেছেন, কিন্তু এরা কেউই প্রদেশ ও স্থানীয় রাজনীতির আঙিনায় পা বাড়াননি। দু-একটা অপবাদ যে নেই তা নয়, তবে প্রবাসে বৃহত্তর ক্ষেত্রে বছরের পর বছর কাটিয়েও তারা কখনোই ওখানকার প্রদেশ বা স্থানীয় মানুষের কাছে নিজেদের মূল নিবাসী বলে দাবি করেননি। উল্টে, তাদের সঙ্গেই মিলেমিশে সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে উঠেছেন। আর তাই আজও বিজেন্দ্রনাথ বাবুরা ও তাঁদের সহধর্মিণীরা ওখান থেকে চলে গেলে স্থানীয় মানুষ তাঁদের কথা মনে করে শ্রদ্ধায় গুণগান গায়।

জীবন সফরনামার একেবারে শুরুর দিকেই বিজেন্দ্রনাথ বাবুর কথা চলে আসাটা হয়তো একটা ঘটনাচক্র মাত্র। তবুও যখন বিজেন্দ্রনাথ বাবুর কথা দিয়ে শুরুই হলো এই লেখা, তখন প্রবাসী বাঙালিদের জীবনের এই নেপথ্য নায়িকাদের কথা আর তাঁদের সামগ্রিক লড়াই নিয়ে এই কিছু কথা বলাটা বড্ড দরকারি ছিল। অবশ্য আমরা দেখলাম, বিজেন্দ্রনাথ বাবু তাঁর জীবনের শেষ চোদ্দ-পনেরো বছর নিজের মাটিতেই কাটিয়েছেন। মৃত্যুর আগের রাতেও সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে মিলেমিশে বিজয়ার মিলন উৎসবে মেতেছিলেন, আর তারপর রাতে নিজের বিছানায় শুয়ে একাকীই চিরঘুমে বিদায় নিলেন। সামনে কেউ নেই, শেষ সময়ে আসলে কেউ থাকেও না— । একাকী এই সফরনামা ভীষণভাবে অনিশ্চিত। সময়ের অন্তহীন পথ ধরে আমরাও সবাই তো আসলে হেঁটে চলেছি এক অনন্ত যাত্রাপথে। যাঁরা চলে যান, তাঁরা রেখে যান কেবলই কিছু অমলিন স্মৃতি। জীবনের সফরনামায়, রবীন্দ্রনাথ দিয়েই শেষ করলাম এই পর্ব—

"ভরা থাক স্মৃতি সুধায় বিদায়ের পাত্রখানি,

মিলনের উৎসবের ফুরাবে না তো বাণী।"

চলবে।

আগামী পর্বে  অবগুণ্ঠিতা, আভিজাত্য বহনকারী এক নারীর জীবন সফরনামা।

 



২টি মন্তব্য:

  1. মনখারাপ দিয়ে শুরু আখ্যান।উপস্হাপনার গুনে চোখের সামনে সবকিছু ভেসে উঠল।অরুনদা,ধন্যবাদ আর সাথে কৃতজ্ঞতা ব্লগে এই লেখার জন্য।
    অতনু চট্টোপাধ্যায়

    উত্তরমুছুন
  2. সফরনামার শুরুতে চোখে জল এসে গেল। শিকড় সমেত উপড়ে পড়া বটগাছের ছবিটি যেন সব কথা বলে দিচ্ছে। এগিয়ে চলুক জীবনের সফরনামা।
    অরিত্র বসু

    উত্তরমুছুন