কাঁচা-পাকা
ভজন দত্ত
কাঁচা ফল ভেবে ছুঁড়ে ফেলেছ আঁটি,
কার্বাইডে পাকা ফলের স্বাদ তো জানোই,
মুখে মিষ্টি, ভেতরে বিষের ঘাঁটি।
দেহধ্বনি শুনতে চেয়ে নিজেই হলে নির্বোধ, দিশি। মানুষ তো! কার্বাইডই পছন্দ করি।
ধৈর্য ধরে পাকার সময় কেউ কাউকে দেয়নি। কাঁচা থাকতেই সবাই ছিঁড়ে খেতে চেয়েছে , তাই কি কৃত্রিম মিষ্টত্বের চাহিদা বেড়েছে!
আদর যদি পোকা হয়, তবে আমরাই কি সেই পচা ফল! যাকে তোমাদের দোতারা বাঁচাতে পারেনি।
দোতারা বাজালেও, মানুষে শোনেনি। ভেবেছে কার্বাইডেই বুঝি প্রেম তাড়াতাড়ি পাকে। ভুল ছিল ভাবনায়। কাঁচা ফলের পাকার অপেক্ষার যে স্বাদ, সেটা আমরা কেমিক্যালে ডুবিয়ে মেরেছি।
আদর পোকা না, আদর হলো আলো।
যে আলোয় ফল নিজে থেকেই রঙিন হয়, মিষ্টি হয় জীবনখাতা...
ছবি ঃ খড়ের শ্রী শ্রী দুর্গা - শিল্পীঃ মৌ নন্দী

পড়লাম,কিছুটা বুঝলাম,বাকিটা অধরাই থেকে গেল।তবে কবিতার ঠাসা বুনোনে পড়তে ভালোই লাগল।
উত্তরমুছুনঅতনু চট্টোপাধ্যায়
আমার তো ভালোই লেগেছে। কাঁচা নাকি কচি! সুন্দর করে চপেটাঘাত মেরেছেন।
উত্তরমুছুনভালো স্বাদ আছে কাঁচা পাকা'র। কবিকে শ্রদ্ধা।
উত্তরমুছুনমুখে মিষ্টি ভিতরে বিষের - এটাই কষ্টের।ভালো লাগল।আলোক মণ্ডল।
উত্তরমুছুনভালো লাগল। কবিতাটি বিশেষ ব্যাঞ্জণাধর্মী।তপন কুমার চন্দ
উত্তরমুছুন