পশ্চাতে-রাখা হাত
অমিয়কূমার সেনগুপ্ত
পশ্চাতে রেখেছ হাত। অকস্মাৎ তা-ই খুলে দিলে
অসংখ্য মাছিরা আসে ভনভন, শোকের মিছিলে
কে যেন ঝাণ্ডা তুলে পাণ্ডা সাজে। ডান্ডার আঘাতে
ভাণ্ডার উজাড় করে ধুলো দিল কারা বাড়া ভাতে।
সে-ভাত যায় না খাওয়া। ধাওয়া করে কে আসে পিছনে
আমার মুণ্ড নিতে। সুধাকুণ্ডে অমৃত-বিহনে
কার চোখে কান্না ঝরে! ঢরে-ঘরে অরন্ধনে কারা
লালিত স্বপ্নের খোঁজে চক্ষু বোঝে, দিতেছে পাহারা।
দায়সারা মনোভাবে স্বভাবে গলায় দড়ি দিলে
কার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়! ক্রুদ্ধ হয় কার বাঁকা গলা ---
কার হাত শাঁখাশূন্য, পুণ্য কার হরণে-বরণে
মহাশূন্যে ভাসমান। কারা মরে খরায়-ক্ষরণে....
একবাক্যে যদি বলি, হে ব্রাহ্মণ, তোমার পিতাকে
দাহ করে কী বা পেলে? অনর্থক কালের বিপাকে
নিজেই মূর্খ হলে, অপকৌশলের দায় তুমি
কার কাঁধে দেবে, ভেবে অযথাই কেন গোঁয়ার্তুমি?
কে কার পিছনে থাকে, কে ডাকে ওদের নাম ধরে?
পুকুরের জল থেকে নোংরা কাদা আঁজলা নিলে ভরে
কার যে শুদ্ধতা বাড়ে, কে যে কাড়ে ওদের ক্ষমতা?
তক্ষুনি পশ্চাতে-রাখা হাত তার হারায় পূর্ণতা।
ছবিঃ খড়ের শ্রী শ্রী দুর্গা - শিল্পীঃ মৌ নন্দী।

ভালো লাগলো।শুভ মহাষষ্ঠী
উত্তরমুছুনভালো লাগলো
উত্তরমুছুনআমি কবিতা খুব একটা বুঝি না।তবে বেশ মন দিয়ে পড়ি।অমিয়দার কবিতাতে একটা মৌতাত থাকে।কিছুক্ষন ভাবতে শেখায়।আমার অতীব স্বল্প বুদ্ধিতে বলতে পারি কবিতার আবেদন কিন্তু সার্বজনীন
উত্তরমুছুনআতনু চট্টোপাধ্যায়
খুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুন